• অন্তরের রোগ ২

    যে অন্তর নিফাকে আক্রান্ত, তা কীভাবে ধারণ করবে প্রকৃত ঈমানকে? যে অন্তর মন্দ কামনা-বাসনা বা প্রেমাসক্তির মাঝে বিভোর থাকে, কেবল লালসা পূরণের পথে চলে; তা কি পারে নেক আমলের স্বাদ আস্বাদন করতে? যে অন্তর দুনিয়ার মহব্বতে, সম্মান-মর্যাদা-নেতৃত্বের লোভে কানায় কানায় পূর্ণ থাকে; তা কি আখিরাতের মহাসাফল্য লাভের কথা একটুও ভাবে? একটি অসুস্থ-রোগাক্রান্ত অন্তরের পরিণতি অনেক অনেক ভয়ংকর-ভয়াবহ। এপারেও… ওপারেও…
    প্রিয় পাঠক! অন্তর তো প্রত্যেকের একটাই। একাধিক নয় যে, একটি অসুস্থ কিংবা বিনষ্ট হয়ে পড়লে অপরটি কাজ দেবে। তাই প্রত্যেককে নিজের এই একটি অন্তরকেই এমন সুস্থ, সুন্দর ও রোগমুক্ত রাখতে হবে; যেন তার মাঝে সত্য অনুধাবনের যোগ্যতা থাকে। যেন তা উপলব্ধি করতে পারে সঠিক বিষয়কে; নিরূপণ করতে পারে হক-বাতিলের বিভেদকে…
    তাই আসুন, আমরা বেঁচে থাকি অন্তরের সকল রোগ থেকে। সত্য-সঠিক বিষয়কে উপলব্ধি করি সুস্থ অন্তর দিয়ে। অন্তরকে অসুস্থ-রোগাক্রান্ত করে তোলে এমনই কিছু কঠিন রোগের আলোচনা নিয়ে ‘রুহামা পাবলিকেশন’ শীঘ্রই আপনাদের জন্য নিয়ে আসছে দু’খণ্ডে প্রকাশিতব্য অতি উপকারী গ্রন্থ ‘অন্তরের রোগ’।
    এর প্রথম খণ্ডে থাকছে— ০১. আসক্তি, ০২. প্রবৃত্তির অনুসরণ, ০৩. দুনিয়ার মহব্বত, ০৪. নিফাক
    এবং দ্বিতীয় খণ্ডে থাকছে— ০১. প্রেমাসক্তি, ০২. গাফিলতি, ০৩. ঝগড়া-বিবাদ, ০৪. অহংকার, ০৫. নেতৃত্বের লোভ সম্পর্কিত প্রতিটি রোগে আক্রান্ত হওয়ার কারণ, এর ক্ষতি-অপকারিতা এবং রোগ থেকে বাঁচার চিকিৎসা ও উপায় সম্পর্কে বিশদ আলোচনা। এ উপকারী গ্রন্থের প্রথম ও দ্বিতীয়

    প্রকাশনী:
  • আদর্শ পরিবার গঠনে ৪০টি উপদেশ

    ঘরে ঈমানি পরিবেশ তৈরি করা। ঘরকে আল্লাহর যিকিরের স্থানে পরিণত করা।

    عَنْ أَبِي مُوسَى، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: مَثَلُ الْبَيْتِ الَّذِي يُذْكَرُ اللهُ فِيهِ، وَالْبَيْتِ الَّذِي لَا يُذْكَرُ اللهُ فِيهِ، مَثَلُ الْحَيِّ وَالْمَيِّتِ.
    আবু মূসা রাযি. সূত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, “যে ঘরে আল্লাহর যিকির হয় আর যে ঘরে আল্লাহর যিকির হয় না, এই দুই ঘরের উপমা হলো, জীবিত এবং মৃতের মতো। (সহীহ মুসলিম: ১/৫৩৯, হা. নং ৭৭৯)

    সুতরাং অবশ্যই ঘরকে আল্লাহ তাআলার যিকিরের স্থানে পরিণত করতে হবে। হতে পারে এই যিকির মনে মনে বা মুখে উচ্চারণ করে, জোরে জোরে নামাজের মাধ্যমে অথবা কুরআনে কারীম তিলাওয়াতের মাধ্যমে এবং হতে পারে ইলমি আলোচনার মাধ্যমে কিংবা বিভিন্ন ইসলামি বই তা’লীমের মাধ্যমে।

    উল্লিখিত হাদীস মতে আল্লাহর যিকির না থাকার কারণে বর্তমানে কত মুসলিম ঘর যে মৃত তার কোনো হিসেব নেই! আর ঐ সকল ঘরের কী অবস্থা, যেখানে আল্লাহর যিকির না হয়ে শয়তানের বাঁশি বাজে, গান-বাজনা হয়, যেখানে গীবত-শেকায়াত, অপবাদ-চোগলখুরি হতে থাকে?

    ঐ ঘরের কী অবস্থা, যা গুনাহ ও খারাপ কাজে পূর্ণ থকে? যেখানে হারাম মেলামেশা হয়? বেপর্দার সাথে নিকট আত্মীয় ও প্রতিবেশী গায়রে মাহরামদের অবাধ যাতায়াত হয়? যে ঘরের অবস্থা এমন, তাতে ফেরেশতা কীভাবে প্রবেশ করবে? সুতরাং তোমরা আল্লাহর যিকিরের মাধ্যমে তোমাদের ঘরকে জীবিত করে তোলো।

    প্রকাশনী:
  • অন্তরের রোগ ১

    যে অন্তর নিফাকে আক্রান্ত, তা কীভাবে ধারণ করবে প্রকৃত ঈমানকে? যে অন্তর মন্দ কামনা-বাসনা বা প্রেমাসক্তির মাঝে বিভোর থাকে, কেবল লালসা পূরণের পথে চলে; তা কি পারে নেক আমলের স্বাদ আস্বাদন করতে? যে অন্তর দুনিয়ার মহব্বতে, সম্মান-মর্যাদা-নেতৃত্বের লোভে কানায় কানায় পূর্ণ থাকে; তা কি আখিরাতের মহাসাফল্য লাভের কথা একটুও ভাবে? একটি অসুস্থ-রোগাক্রান্ত অন্তরের পরিণতি অনেক অনেক ভয়ংকর-ভয়াবহ। এপারেও… ওপারেও…
    প্রিয় পাঠক! অন্তর তো প্রত্যেকের একটাই। একাধিক নয় যে, একটি অসুস্থ কিংবা বিনষ্ট হয়ে পড়লে অপরটি কাজ দেবে। তাই প্রত্যেককে নিজের এই একটি অন্তরকেই এমন সুস্থ, সুন্দর ও রোগমুক্ত রাখতে হবে; যেন তার মাঝে সত্য অনুধাবনের যোগ্যতা থাকে। যেন তা উপলব্ধি করতে পারে সঠিক বিষয়কে; নিরূপণ করতে পারে হক-বাতিলের বিভেদকে…
    তাই আসুন, আমরা বেঁচে থাকি অন্তরের সকল রোগ থেকে। সত্য-সঠিক বিষয়কে উপলব্ধি করি সুস্থ অন্তর দিয়ে। অন্তরকে অসুস্থ-রোগাক্রান্ত করে তোলে এমনই কিছু কঠিন রোগের আলোচনা নিয়ে ‘রুহামা পাবলিকেশন’ শীঘ্রই আপনাদের জন্য নিয়ে আসছে দু’খণ্ডে প্রকাশিতব্য অতি উপকারী গ্রন্থ ‘অন্তরের রোগ’।
    এর প্রথম খণ্ডে থাকছে— ০১. আসক্তি, ০২. প্রবৃত্তির অনুসরণ, ০৩. দুনিয়ার মহব্বত, ০৪. নিফাক
    এবং দ্বিতীয় খণ্ডে থাকছে— ০১. প্রেমাসক্তি, ০২. গাফিলতি, ০৩. ঝগড়া-বিবাদ, ০৪. অহংকার, ০৫. নেতৃত্বের লোভ সম্পর্কিত প্রতিটি রোগে আক্রান্ত হওয়ার কারণ, এর ক্ষতি-অপকারিতা এবং রোগ থেকে বাঁচার চিকিৎসা ও উপায় সম্পর্কে বিশদ আলোচনা। এ উপকারী গ্রন্থের প্রথম ও দ্বিতীয়

    প্রকাশনী:
  • যেসব হারামকে অনেকেই তুচ্ছ মনে করে

    হে পথিক! যদি দ্বীনের পথ ধরেই তুমি সম্মুখ অগ্রসর হতে চাও, বিশ্বাসীদের কাতারে অটল-অবিচল থাকতে চাও; তাহলে তোমার জন্য যা ইচ্ছে তা-ই করার সুযোগ কীভাবে থাকে? তোমাকে তো জীবনের প্রতিটি পদে পদে ন্যায়-অন্যায়ের পার্থক্যের প্রতি লক্ষ্য রেখেই পথ চলতে হবে। দ্বীন তোমাকে যা কিছু করার বৈধতা দিয়েছে, তা-ই করতে হবে; আর যা কিছু করা থেকে বারণ করেছে, তা থেকে অবশ্যই বেঁচে থাকতে হবে। হালাল-হারামের ব্যবধান সম্পর্কে তোমাকে অবগত হতে হবে পরিপূর্ণভাবে। কিছুতেই তুমি আল্লাহর হালালকে হারাম ও তাঁর হারামকে হালাল মনে করো না। কেননা, যে আল্লাহর হালালকে হারাম ও তাঁর হারামকে হালাল মনে করে, সে মুমিনদের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে না। এমনিভাবে তুমি কোনো হারাম কাজকেই তুচ্ছ মনে করো না। কারণ, যে ব্যক্তি কোনো হারাম কাজকে তুচ্ছ মনে করে, সে সহজেই তাতে লিপ্ত হয়ে পড়ে। 

    প্রকাশনী:
  • ঈমানের দুর্বলতা

    ঈমানের দুর্বলতা হলো বর্তমানে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়া একটি রোগ। যার কারণে প্রায়ই মানুষকে নালিশ করতে শোনা যায় ‘আমার অন্তর কঠিন হয়ে গেছে,’ ‘আমি ইবাদতে কোনো প্রশান্তি পাই না,’ ‘আমার ঈমান যেন তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে,’ ‘কুরআন তিলাওয়াত আমার অন্তর বিগলিত করে না,’, ‘আমি সহজেই গুনাহে জড়িয়ে পড়ি’ ইত্যাদি।
    বইটি পরলে জানতে পারবেন ঈমানের দুর্বলতাগুলো কি কি!

    প্রকাশনী:
Cart Item Removed. Undo
  • No products in the cart.

Main Menu

×