• হুজুর হয়ে হাসো কেন?

    হুজুর শব্দটি কোরআন হাদিসের কোথাও আমরা পাই না।বাংলাদেশে প্রচলিত অর্থে এই শব্দটি দিয়ে এক সময় শুধু মাদরাসার আলেম ও তালিবুল ইলম শ্রেণির মানুষদের বোঝানো হতো। তবে পরবর্তীকালে কিছু নির্দিষ্ট ইসলামি চিহ্নধারী সকল মানুষকেই হুজুর বলে ডাকা প্রচলিত হয়ে যায়। পুরুষদের ক্ষেত্রে সেসব ইসলামি চিহ্ন হলো দাড়ি, টুপি, পায়জামা, পাঞ্জাবি ইত্যাদি।
    .
    তারমানে মাদরাসা বা জেনারেল শিক্ষিত যে কেউই এখন হুজুর বলে পরিচিত হতে পারে।
    তো বাহ্যিক এই চিহ্নগুলো ধারণ করা মানুষদের কাছ থেকে স্বভাবতই প্রত্যাশা করে থাকে যে তারা ইসলামি নিয়ম কানুন মেনে চলবে। অন্তত আর দশজনের থেকে বেশি।
    কিন্তু সেই মেনে চলার সীমানাটা কতটুকু সে ব্যাপারে নির্দিষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত নেই। তাই হুজুরদের জায়েজ কাজ করা দেখলেও প্রশ্ন উঠে “হুজুর হয়ে এটা করছো কেন?”
    .
    অর্থাৎ মানুষ ধরেই নিচ্ছে হুজুরদের জন্য এক শরীয়ত আর অ-হুজুরদের জন্য ভিন্ন শরীয়ত।
    মোটকথা বর্তমানে ” হুজুর হয়ে” কথাটা ব্যাঙ্গ করেই বলা হয়ে থাকে। 

    প্রকাশনী:

Main Menu

×