মহানবী

৳ 270৳ 540

স্টকে আছে

খাদীজার শূন্য হৃদয়-উদ্যানে বসন্তের পরশে প্রস্ফুটিত হলো প্রাপ্তির অসংখ্য ফুল। সেই ফুলের সুবাসে জীবন ও জীবনে জড়িয়ে আছে যত বেদনা, সব হয়ে গেলো সুবাসিত! খাদীজার আনন্দের সীমা ছিলো না। মুহাম্মাদকে তিনি যে কী করবেন, কীভাবে যে তাঁর যত্ন নেবেন, তা ভেবে শেষ করতে পারতেন না! খাদীজার অথৈ ভালোবাসার কোনো কূল ছিলো না।
তাঁর গম্ভীর চরিত্রে ফুলের কোমলতা, তাঁর সুন্দর দেহে আশ্চর্য সৌরভ, তাঁর চমৎকার মৃদু হাসিসহ তাঁর সবকিছু খাদীজা যতই দেখেন, প্রতিবার নতুন করে তাঁর প্রেমে পড়েন। তিনি তাঁর চারপাশের পুরো জগৎ থেকে ভিন্ন। সকল অহেতুক রীতিনীতি, সকল কোলাহলমুখর অসভ্যতা, অকারণ উৎসব-হাঙ্গামা, কিছুতেই তিনি কখনো জড়ান না।
কুরাইশরা মদপান করে, রাস্তায় রাস্তায় সাজানো আছে পানশালা, কিন্তু তিনি মদপান করেন না। মূর্তির বেদিতে বলিকৃত পশুর গোশত খান না। কুরাইশরা মূর্তির পায়ের কাছে জড়ো হয়ে অনুষ্ঠান করে, অথচ তিনি মূর্তিপূজা ঘৃণা করেন। তারা তাদের কাপড় খুলে কাবা তাওয়াফ করে, তিনি শালীনতা বজায় রাখেন। তাঁর চরিত্র তাদের সকলের চেয়ে সুন্দর। তাঁর মর্তবা তাদের সকলের চেয়ে বড়। তাঁর ধৈর্য ও সহনশীলতা তাদের সকলের চেয়ে বিশাল। তাদের সবার মধ্যে তাঁর কথাই সত্য। তাঁর স্বভাব সবচেয়ে পেলব ও কোমল। তাঁর হৃদয়ই অধিক পবিত্র। ভালো কাজে তিনিই সবার আগে থাকেন। তিনিই সর্বাধিক অঙ্গীকার পূরণকারী, প্রতিশ্রুতি রক্ষাকারী। তিনিই তাদের মধ্য সবচেয়ে বড় আমানতদার।
খাদীজা নিজের বিশাল ধনভাণ্ডার তাঁর হাতে তুলে দেন। খাদীজা নিজের তনুমন তাঁর পায়ের কাছে লুটিয়ে দেন।
তাঁর মতো কেউ নেই। আকাশের মেঘ তাঁকে ছায়া দান করে। তরুলতা, বৃক্ষরাজি তাঁর সামনে মাথা নত করে। খাদীজাও মেঘ হয়ে তাঁর ছায়া হন। ফুল হয়ে তাঁর জন্য কোমল হন। বসন্তের সৌন্দর্য হয়ে তাঁর মনকে দোলা দেন। বিশ্বাসী হয়ে তাঁর সঙ্গী হন, হৃদয়ের স্পন্দন হয়ে সব সময় তাঁর সঙ্গে থাকেন। আর তিনিও খাদীজাকে মনপ্রাণ দিয়ে ভালোবাসেন। তাঁর জীবনের প্রথম নারী, তাঁর প্রথম প্রেম খাদীজা! পৃথিবী মুগ্ধ হয়ে দেখে তাঁদের ঘরের চৌকাঠে, জানালার খড়খড়িতে সারাক্ষণ লেগে আছে ভালোবাসার উৎসাহী অনুষ্ঠান! ...
.
বাকিটা পড়ুন ‘মহানবী সা.’ গ্রন্থে। অর্ডার করুন এখনি।

খাদীজার শূন্য হৃদয়-উদ্যানে বসন্তের পরশে প্রস্ফুটিত হলো প্রাপ্তির অসংখ্য ফুল। সেই ফুলের সুবাসে জীবন ও জীবনে জড়িয়ে আছে যত বেদনা, সব হয়ে গেলো সুবাসিত! খাদীজার আনন্দের সীমা ছিলো না। মুহাম্মাদকে তিনি যে কী করবেন, কীভাবে যে তাঁর যত্ন নেবেন, তা ভেবে শেষ করতে পারতেন না! খাদীজার অথৈ ভালোবাসার কোনো কূল ছিলো না।
তাঁর গম্ভীর চরিত্রে ফুলের কোমলতা, তাঁর সুন্দর দেহে আশ্চর্য সৌরভ, তাঁর চমৎকার মৃদু হাসিসহ তাঁর সবকিছু খাদীজা যতই দেখেন, প্রতিবার নতুন করে তাঁর প্রেমে পড়েন। তিনি তাঁর চারপাশের পুরো জগৎ থেকে ভিন্ন। সকল অহেতুক রীতিনীতি, সকল কোলাহলমুখর অসভ্যতা, অকারণ উৎসব-হাঙ্গামা, কিছুতেই তিনি কখনো জড়ান না।
কুরাইশরা মদপান করে, রাস্তায় রাস্তায় সাজানো আছে পানশালা, কিন্তু তিনি মদপান করেন না। মূর্তির বেদিতে বলিকৃত পশুর গোশত খান না। কুরাইশরা মূর্তির পায়ের কাছে জড়ো হয়ে অনুষ্ঠান করে, অথচ তিনি মূর্তিপূজা ঘৃণা করেন। তারা তাদের কাপড় খুলে কাবা তাওয়াফ করে, তিনি শালীনতা বজায় রাখেন। তাঁর চরিত্র তাদের সকলের চেয়ে সুন্দর। তাঁর মর্তবা তাদের সকলের চেয়ে বড়। তাঁর ধৈর্য ও সহনশীলতা তাদের সকলের চেয়ে বিশাল। তাদের সবার মধ্যে তাঁর কথাই সত্য। তাঁর স্বভাব সবচেয়ে পেলব ও কোমল। তাঁর হৃদয়ই অধিক পবিত্র। ভালো কাজে তিনিই সবার আগে থাকেন। তিনিই সর্বাধিক অঙ্গীকার পূরণকারী, প্রতিশ্রুতি রক্ষাকারী। তিনিই তাদের মধ্য সবচেয়ে বড় আমানতদার।
খাদীজা নিজের বিশাল ধনভাণ্ডার তাঁর হাতে তুলে দেন। খাদীজা নিজের তনুমন তাঁর পায়ের কাছে লুটিয়ে দেন।
তাঁর মতো কেউ নেই। আকাশের মেঘ তাঁকে ছায়া দান করে। তরুলতা, বৃক্ষরাজি তাঁর সামনে মাথা নত করে। খাদীজাও মেঘ হয়ে তাঁর ছায়া হন। ফুল হয়ে তাঁর জন্য কোমল হন। বসন্তের সৌন্দর্য হয়ে তাঁর মনকে দোলা দেন। বিশ্বাসী হয়ে তাঁর সঙ্গী হন, হৃদয়ের স্পন্দন হয়ে সব সময় তাঁর সঙ্গে থাকেন। আর তিনিও খাদীজাকে মনপ্রাণ দিয়ে ভালোবাসেন। তাঁর জীবনের প্রথম নারী, তাঁর প্রথম প্রেম খাদীজা! পৃথিবী মুগ্ধ হয়ে দেখে তাঁদের ঘরের চৌকাঠে, জানালার খড়খড়িতে সারাক্ষণ লেগে আছে ভালোবাসার উৎসাহী অনুষ্ঠান! …
.
বাকিটা পড়ুন ‘মহানবী সা.’ গ্রন্থে। অর্ডার করুন এখনি।

Additional information

লেখক

মাজিদা রিফা

সম্পাদক

রাইহান খাইরুল্লাহ হাফি.

পাতা

৪৮০

ভাষা

বাংলা

Only logged in customers who have purchased this product may leave a review.

রিভিউ

There are no reviews yet.

Main Menu