ইবাদত, আত্মশুদ্ধি ও অনুপ্রেরণা

  • শয়তানের চক্রান্ত

    কুরআনের ভাষ্যমতে শয়তান আমাদের প্রকাশ্য শত্রু। সে সব সময়ই চায় নানান রকম চক্রান্তের ফাঁদ পেতে আল্লাহর বান্দাদের গোমরাহ করতে। সেজন্যই শয়তানের চক্রান্ত সম্পর্কে হুঁশিয়ার থাকা প্রতিটি মুমিনের কর্তব্য।
    ইমাম ইবনু আবিদ দুনইয়া রাহিমাহুল্লাহ সেই দিকে লক্ষ করেই রচনা করেন মাকায়িদুশ শাইতান নামক পুস্তিকাটি, যেখানে তিনি শয়তানের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডকে কুরআন-হাদিসের আলোকে তুলে ধরেন।
    সেই পুস্তিকাটিরই অনুবাদ বাংলাভাষী পাঠকদের সামনে পেশ করা হচ্ছে।
    এই পুস্তিকার সাথে বিভিন্ন পাপাচারের নিন্দা করে লেখকের রচিত আরেকটি পুস্তিকার অনুবাদও সংযুক্ত করা হয়েছে। কারণ, সেগুলোও একধরনের শয়তানি কর্মকাণ্ড; যার মধ্যে নাচ-গান-পাশা-জিনা-সমকাম ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
    দুই পুস্তিকার এই সমন্বিত অনুবাদ আশা করি পাঠকদের মনে দোলা দেবে। শয়তানের শয়তানি সম্পর্কে সচেতন থাকতে তাদেরকে সাহায্য করবে।

    ৳ 133৳ 190
    প্রকাশনী:
  • দুখের পরে সুখ

    সাহল ইবনু সাআদ রাদিয়াল্লাহুআনহু থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহুআনহুমা-কে বললেন, ‘আমি কি তোমাকে এমন কিছু কথা শিক্ষা দেব না, যার মাধ্যমে তুমি উপকৃত হবে?’
    তিনি বললেন, ‘নিশ্চয়ই হে আল্লাহর রাসূল!’
    তিনি তখন বললেন─
    “হে বৎস, তুমি আল্লাহ আআলার (বিধি-নিষেধ) রক্ষা করবে, তিনি তোমাকে রক্ষা করবেন। তুমি তাঁর (আল্লাহর বিধি-বিধানের) প্রতি লক্ষ রাখবে, তাহলে তাকে কাছে পাবে। সুখের সময় আল্লাহকে চেনো, তিনি দুঃখের সময় তোমাকে চিনবেন। যদি কোনো কিছু চাইতে হয়, তবে আল্লাহর কাছে চাও। আর যদি সাহায্য প্রার্থনা করতে হয় তবে আল্লাহর কাছেই করো। ঘটিতব্য বিষয়ে কলম শুকিয়ে গেছে। যদি লোকেরা চেষ্টা করে তোমাকে এমন বিষয়ে উপকৃত করতে, যা আল্লাহ তোমার জন্য লিপিবদ্ধ করেননি, তবে তারা কখনোই তা পারবে না। আর যদি লোকেরা তোমার এমন কোনো ক্ষতি করতে চেষ্টা করে, যা আল্লাহ তোমার ভাগ্যে লিখে রাখেননি, তাহলেও তারা তা পারবে না। যদি সততার সাথে সুদৃঢ়ভাবে আল্লাহর জন্য আমল করতে সক্ষম হও তবে তা করো। আর যদি সক্ষম না হও তবে যে বিষয়টি তোমার কষ্টকর লাগছে সে বিষয়ে (তোমার জন্য) প্রভূত কল্যাণ রয়েছে। জেনে রাখো, সবরের সাথেই রয়েছে (আল্লাহ-প্রদত্ত) সাহায্য। বিপদের সাথেই রয়েছে বিপদমুক্তি। দুঃখের পরেই রয়েছে সুখ।”
    (আল-মুস্তাদরাক, হাকিম : ৫/৫৪১)

    ৳ 154৳ 220
    প্রকাশনী:
  • ফজর আর করব না কাযা

    অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি ঈমানী পরীক্ষা হলো ফজরের নামাযের পরীক্ষা!
    পরীক্ষাটি কঠিন; কিন্তু অসাধ্য নয়।
    ফজরের পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নাম্বার প্রাপ্তির পথ হলো পুরুষদের জন্য মসজিদে জামাতের সঙ্গে নিয়মিত ফজরের নামায আদায় করা আর নারীদের জন্য নিয়মিত ঘরেই প্রথম ওয়াক্তে নামায আদায় করে নেওয়া। আর অতি গুরুত্বপূর্ণ এই পরীক্ষায় অকৃতকার্যতা হলো নির্ধারিত সময়ে নামায আদায়ে সক্ষম না হওয়া।
    তবে সর্বোচ্চ নাম্বার প্রাপ্তি ও অকৃতকার্যতার মাঝে আছে অনেকগুলো স্তর।
    একজন হয়তো অধিকাংশ সময় মসজিদেই নামায আদায় করেন; কিন্তু মাঝে মধ্যে মসজিদের জামাত ছুটেও যায়।
    আরেকজনের অবস্থা সম্পূর্ণ বিপরীত। মাঝে মধ্যে মসজিদে নামায আদায় করেন; অধিকাংশ নামাযেই জামাত ছুটে যায়।
    কেউ হয়তো ফজরের নামায নিয়মিত ঘরেই আদায় করেন; অবশ্য ওয়াক্তের মধ্যেই।
    আবার কেউ ঘরেই নামায আদায় করেন; তবে প্রতিদিনই ওয়াক্ত শেষ হওয়ার পর!
    স্তর যদিও অনেক; কিন্তু নিষ্ঠাবান মুমিন বান্দার কাক্সিক্ষত সফলতার স্তর হলো নিয়মিত মসজিদে জামাতের সঙ্গে ফজরের নামায আদায় করা।
    প্রশ্ন হতে পারে, ফজরের নামায কতটা গুরুত্বপূর্ণ?!

    ৳ 160৳ 320
    প্রকাশনী:
  • আপনার দোয়া কি কবুল হচ্ছে না?

    নশ্বর এই পৃথিবী হলো পরীক্ষা কেন্দ্র। প্রত্যেক মানুষকেই এ পৃথিবীতে বসবাস করার সময় বিভিন্ন ধরনের অবস্থা, ঘটনা-দুর্ঘটনা, প্রীতিকর ও অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়। কিছু লোককে দেখা যায়, এ ধরনের প্রতিকূল পরিস্থিতির মুখে পড়লে ভীষণ ডিপ্রেশনের শিকার হয়ে দু‘আ করাই ছেড়ে দিয়ে বসে। কাউকে এ কথাও বলতে শুনা যায় যে, ভাই, আমি অনেক দু‘আ করেছি; কিন্তু কবূল হয় না।
    আমাদেরকে অবশ্যই এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হবে যে, আমাদের মাঝে এমন কোন প্রতিবন্ধকতা রয়েছে; যার কারণে আমাদের দু‘আ গুলো কবূল হচ্ছে না ?
    এই বইটিতে সে বিষয়গুলো বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে । কবুল না হওয়ার বিভিন্ন কারণ ও দু‘আর কবূলিয়ত ত্বরান্বিত করার উপায় সম্পর্কে বিশ্লেষণমূলক আলোচনা পেশ করা হয়েছে। আশা করি, এ গ্রন্থটি হবে আমাদের হৃদয়ের অসংখ্য জিজ্ঞাসার উত্তর। হতে পারে , এটি হবে নিরাশার অন্ধকারে আপনার জন্যে আশার প্রদীপ।

    ৳ 55৳ 110
    প্রকাশনী:
  • এটাই হয়তো জীবনের শেষ রমাযান

    চলে গেছে জীবনের কতগুলো রমযান!
    পুষ্পিত বসন্তের সুবাসিত ফল্গুধারা নিয়ে!
    রহমত-মাগফিরাত ও নাজাতের বার্তা নিয়ে!
    দরজায় কড়া নাড়ছে আরেকটি ‘মাহে রমযান‘!
    অসামান্য অর্জন ও অত্যুচ্চ প্রাপ্তির অপার সম্ভাবনা নিয়ে!
    কিন্তু ….। কীভাবে যেন কেটে যায় দিনগুলো! হেলায়-ফেলায়- অবহেলায়-উদাসীনতায়! মাস শেষে আফসোস! বার দু’য়েক দীর্ঘশ্বাস! রমযান এল, রমযান গেল, এগার মাসের মতই!
    অথচ ….।
    এই রমযানই হয়তো জীবনের শেষ রমযান! শেষ সুযোগ ক্ষমা লাভের! শেষ সুযোগ প্রাপ্তি ও অর্জনের! গতবার কতজন ছিলেন! সাহরীতে-ইফতারীতে! জীবনের পরতে-পরতে! আজ তারা নির্জন কবরে! রমযান শেষেই হয়তো আমার পালা, ডাক আসার! তাহলে ….। কীভাবে কাটাবেন আপনার জীবনের শেষ রমযান?! কীভাবে কাজে লাগাবেন প্রতিটি ক্ষণ, সেকেন্ডের প্রতিটি ভগ্নাংশ?! কীভাবে ভাবতে শিখবেন- ‘এটাই আমার জীবনের সর্বশেষ রমযান’?! তা জানতেই প্রিয় পাঠক আপনার জন্য ‘এটাই হয়তো জীবনের শেষ রমযান’!

    ৳ 65৳ 130
    প্রকাশনী:
  • আমাদের সোনালি অতীত

    মানুষ গল্পপ্রিয়। এটা মানুষের স্বভাবগত বৈশিষ্ট্য। গল্প পড়তে ভালো লাগে, শুনতেও ভালো লাগে। বয়ান বক্তৃতায় যদি থাকে গল্পের রস, তাহলে তো কথাই নেই! সকল শ্রোতা নড়ে-চড়ে বসে। একেবারে মজে যায়। হারিয়ে যায় গল্পের মাঝে। এ কথা অনস্বীকার্য যে, বিষয়বস্তু শ্রোতাদের অন্তরে গভীরভাবে গেঁথে দেওয়া ও আকর্ষণ সৃষ্টির ব্যাপারে গল্পের ছলে নসিহত ও কাহিনির অবতারণা বড়ই ক্রিয়াশীল। আর গল্পগুলো যদি হয় সাহাবাজীবনের, তাহালে তো সোনায় সোহাগা। কেননা, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ইনতেকালের পর সারা পৃথিবীতে যারা ইসলামের আদর্শ ও আলো ছড়িয়ে দিয়েছেন, যাদের রক্ত, ঘাম, শ্রম ও বিপুল ত্যাগ-তিতিক্ষার বিনিময়ে ইসলাম সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়েছিল, তারাই হলেন রাসুলের প্রিয় সাহাবি রাদিয়াল্লাহু আনহুম। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পর তাদের জীবনে ও কর্মে ইসলামের প্রায়োগিক রূপ মূর্ত হয়ে উঠেছিল। তাই ইসলামকে বুঝতে ও জানতে হলে সাহাবিগণের জীবনাদর্শ, তাদের জীবনের গল্প ও নসিহতের কোনো বিকল্প নেই। এ গ্রন্থে আরবের পাঠকনন্দিত লেখক ড. মুহাম্মদ ইবনে আবদুর রহমান আরিফি গল্পের ভাষায় সাহাবি ও তাবেয়ি-জীবনের নানান চিত্র তুলে ধরেছেন। ছোট ছোট গল্পঘটনার মাধ্যমে লেখক তুলে ধরেছেন সোনালি মানুষের দিনযাপন। সাহাবিদের জীবনের চিত্তাকর্ষক হীরাখণ্ডগুলো ছড়িয়ে দিয়েছেন এই বইয়ের পাতায় পাতায়। জীবনের পরতে পরতে বিশুদ্ধতার ছোঁয়া পৌঁছে দেবার এবং জীবন বদলে দেওয়ার গল্পভাষ্যই হলো-আমাদের সোনালি অতীত।

    ৳ 154৳ 220
    প্রকাশনী:
  • জীবন গড়ার কথামালা (মাওয়ায়িজে ইবনু তাইয়িমা)

    গ্রীষ্মের তাপদাহে ফেটে চৌচির হওয়া জমি যেমন আকাশ থেকে নেমে আসা শীতল বারিধারার প্রতীক্ষায় প্রহর গোনে; তেমনি মানুষের অন্তরও অনেক সময় গুনাহের পঙ্কিলতায় আবিল হয়ে বড় কোনো ব্যক্তিত্ত্বের আলোকোজ্জ্বল নসিহতের সন্ধানে থাকে। যা তার তপ্ত হৃদয় শীতল করবে। ভাঙা মন জোড়া লাগাবে। শয়তান আর নসফের জালে আটকা পড়া মানসকে করবে শৃঙ্খলমুক্ত। নহিহতমূলক আলাপন উলামাগণ অনেক সময় স্বতন্ত্র গ্রন্থে করেন, অনেক সময় ভিন্ন বিষয়ের ভেতর দিয়ে তা ছড়িয়েছিটিয়ে রাখেন। সচেতন পাঠককে সেখান থেকে সযত্নে তা কুড়িয়ে নিতে হয়। কিন্তু একবিষয়ের রচনার পাতা থেকে অন্য বিষয়কে গভীর দৃষ্টি হেনে দক্ষ ডুবুরির মতো সমুদ্রের তলদেশ থেকে মনি-মুক্তা আহরণের ন্যায় তুলে আনতে কতজনই বা পারে? কয়জন পাঠকেরই বা থাকে এমন সুদূরপ্রসারী দৃষ্টি ও পাঠ বিচক্ষণতা? এসব কথা বিবেচনা করে দক্ষ পাঠক অনেক সময় নিজের আহরিত নসিহতের সেই টুকরোগুলো সুবিন্যস্ত করে অন্যদের সামনে তুলে ধরার প্রয়াস পান। আমাদের হাতে থাকা বইটিও এমন একটি সংকলন। আরবের প্রখ্যাত আলিম ও সুলেখক সালেহ আহমাদ শামি ফতোয়া ইবনে তাইমিয়া অধ্যয়নকালে নসিহতমূলক কথাগুলো আলাদা করেন এবং পরে সেগুলোকে মলাটবদ্ধ করে পাঠক সমীপে মাওয়ায়িজে ইবনে তাইমিয়া নামে পেশ করেন। সেই বইয়েরই বাংলা ভাষান্তরিত রূপ হলো- জীবন গড়ার কথামালা।

    ৳ 90৳ 180
    প্রকাশনী:
  • প্রবৃত্তির দাসত্ব

    প্রবৃত্তির দাসত্ব করতে করতে পাপে ভরেছে চিত্ত হারিয়েছি পথ, কোন নায়ে রাখব পা কোন পথে গেলে পাবো মুক্তির দেখা স্রষ্টার সৃষ্টির সেরা হয়েও হারিয়েছি মনুষ্যত্ব। হ্যাঁ কবি দাউদুল ইসলাম যথার্থই বলেছেন। মনের খেয়াল খুশি মত চলাই প্রবৃত্তির দাসত্ব। পৃথিবীর সৌন্দর্য, মনোমুগ্ধকর পরিবেশে মুগ্ধতা এবং নিরর্থক কাজ-কর্মের প্রতি আসক্তি তৈরির মাধ্যমে প্রবৃত্তি মানুষকে প্রতারিত করে থাকে। প্রবৃত্তির মুখাপেক্ষী হলে মানুষের মধ্যে মনুষ্যত্ব থাকে না। নিয়ম-কানুন, ধর্ম-কর্ম বলতে কোনো কিছুর অস্তিত্ব প্রবৃত্তিপূজারির মধ্যে অবশিষ্ট থাকে না। এজন্য প্রবৃত্তির দাসত্ব মানুষের বড় শত্রু। বুসতি রহ. বলেন, ‘প্রবৃত্তিকে তোমার অধীন করো, অন্যথায় প্রবৃত্তিই তোমাকে তার অধীন করে ফেলবে।’ কুপ্রবৃত্তির অনুসরণ কল্যাণকে বাধাগ্রস্থ করে, বিবেককে করে প্রান্তিকতার শিকার। কেননা, তা প্রসব করে নোংরা চরিত্র, প্রকাশ করে লাঞ্ছনাদায়ক কর্মকাণ্ড, মানবতার আচ্ছাদনকে করে কলঙ্কিত এবং অনিষ্টতার প্রবেশদারকে করে অবারিত। প্রবৃত্তি মানুষের সবচেয়ে বড় শত্রু। যত শত্রুর বিরুদ্ধে মানুষকে সংগ্রাম করতে হয়, যুদ্ধ করতে হয়, তার মধ্যে প্রবৃত্তি সবচেয়ে কঠিন শত্রুযার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা অপরিহার্য দায়িত্ব। কিন্তু কীভাবে করবেন সে যুদ্ধ? আরবের পাঠকনন্দিত লেখক শাইখ সালেহ আল-মুনাজ্জিদ ইতিবাউল হাওয়া ও শাহওয়াত গ্রন্থদ্বয়ে তুলে ধরেছেন সে যুদ্ধের বিভিন্ন কৌশল। সুতরাং প্রবৃত্তির সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য পড়ুন-প্রবৃত্তির দাসত্ব।

    ৳ 110৳ 220
    প্রকাশনী:
  • জীবনের সহজ পাঠ

    জীবন আমাদের সামনে প্রতিনিয়ত হাজির হয় বিপুল পরিমাণ উপদেশ নিয়ে। সেগুলো আমরা খুব কমই কুড়িয়ে নেই। আমাদের সামনে হরহামেশা ঘটে চলা ঘটনাবলী আর ছড়িয়েছিটিয়ে থাকা দৃশ্যাবলী ভাবনার জগতে খুব কমই আলোড়ন তোলে।

    এই গড়পড়তার ভেতরেও কিছু ব্যতিক্রমী মানুষ থাকেন, যারা জীবন সংশ্লিষ্ট ঘটনাগুলো ভাবতে ভালোবাসেন। সেই ভাবনা থেকে ভালো কিছু তুলেও আনতে পারেন। তেমনই একজন লেখিকা হলেন রেহনুমা বিনতে আনিস। আর তেমনই কিছু ভাবনা আর বোধের ফসল হলো জীবনের সহজ পাঠ নামক এই বইটি।

    আল্লাহ তাআলার অসংখ্য শুকরিয়া যে, তিনি আমাকে বইটির শরঈ সম্পাদনা করার তাওফীক দান করেছেন। সম্পাদনাকালে আমি যে কাজগুলো করেছি সেগুলো হলো, বইটিতে উল্লেখিত হাদীসগুলো যাচাই ও উৎসমূল নির্দেশ, আয়াতসমূহের অর্থ যাচাই, কিছু ত্রুটিপূর্ণ বর্ণনা বিয়োজন, সঠিক বর্ণনা সংযোজন, আপত্তির অবকাশ থাকে এমন কিছু বাক্যের সংশোধন ইত্যাদি।

    বইটি পড়েছি আর জীবনবোধ কীভাবে মানুষকে গভীর থেকে গভীরে নিয়ে ভাবতে শেখায় তার পরিচয় পেয়েছি। আপত নজরে যেটা খুব স্বাভাবিক ও সাধারণ ঘটনা সেটাকেও বোধ ও ভাবনার সহায়তায় লেখিকা এমনভাবে উপদেশযোগ্য করে ফুটিয়ে তুলেছেন যা সত্যিই তার পারঙ্গমতার সাক্ষ্য বহন করে।
    বইটি তার নামের মান বজায় রেখে পাঠকের সামনে জীবনের সহজ পাঠ সহজভাবে তুলে ধরবে এটা আমার বিশ্বাস। আল্লাহ তাআলা বইটিকে কবুল করে নিন। লেখিকাসহ আরও যারা বইটি ছাপার অক্ষরে আসার পেছনে সচেষ্ট ছিলেন তাদেরকেও কবুল করুন। বিশেষকরে রোকন ভাই ও ইসমাঈল ভাইকে আল্লাহ তাআলা তাদের আন্তরিকতার পরিপূর্ণ প্রতিদান দিন। আমীন। ইয়া রব্বাল আলামীন। 

    ৳ 190
    প্রকাশনী:
  • অন্তরের রোগ ২

    যে অন্তর নিফাকে আক্রান্ত, তা কীভাবে ধারণ করবে প্রকৃত ঈমানকে? যে অন্তর মন্দ কামনা-বাসনা বা প্রেমাসক্তির মাঝে বিভোর থাকে, কেবল লালসা পূরণের পথে চলে; তা কি পারে নেক আমলের স্বাদ আস্বাদন করতে? যে অন্তর দুনিয়ার মহব্বতে, সম্মান-মর্যাদা-নেতৃত্বের লোভে কানায় কানায় পূর্ণ থাকে; তা কি আখিরাতের মহাসাফল্য লাভের কথা একটুও ভাবে? একটি অসুস্থ-রোগাক্রান্ত অন্তরের পরিণতি অনেক অনেক ভয়ংকর-ভয়াবহ। এপারেও… ওপারেও…
    প্রিয় পাঠক! অন্তর তো প্রত্যেকের একটাই। একাধিক নয় যে, একটি অসুস্থ কিংবা বিনষ্ট হয়ে পড়লে অপরটি কাজ দেবে। তাই প্রত্যেককে নিজের এই একটি অন্তরকেই এমন সুস্থ, সুন্দর ও রোগমুক্ত রাখতে হবে; যেন তার মাঝে সত্য অনুধাবনের যোগ্যতা থাকে। যেন তা উপলব্ধি করতে পারে সঠিক বিষয়কে; নিরূপণ করতে পারে হক-বাতিলের বিভেদকে…
    তাই আসুন, আমরা বেঁচে থাকি অন্তরের সকল রোগ থেকে। সত্য-সঠিক বিষয়কে উপলব্ধি করি সুস্থ অন্তর দিয়ে। অন্তরকে অসুস্থ-রোগাক্রান্ত করে তোলে এমনই কিছু কঠিন রোগের আলোচনা নিয়ে ‘রুহামা পাবলিকেশন’ শীঘ্রই আপনাদের জন্য নিয়ে আসছে দু’খণ্ডে প্রকাশিতব্য অতি উপকারী গ্রন্থ ‘অন্তরের রোগ’।
    এর প্রথম খণ্ডে থাকছে— ০১. আসক্তি, ০২. প্রবৃত্তির অনুসরণ, ০৩. দুনিয়ার মহব্বত, ০৪. নিফাক
    এবং দ্বিতীয় খণ্ডে থাকছে— ০১. প্রেমাসক্তি, ০২. গাফিলতি, ০৩. ঝগড়া-বিবাদ, ০৪. অহংকার, ০৫. নেতৃত্বের লোভ সম্পর্কিত প্রতিটি রোগে আক্রান্ত হওয়ার কারণ, এর ক্ষতি-অপকারিতা এবং রোগ থেকে বাঁচার চিকিৎসা ও উপায় সম্পর্কে বিশদ আলোচনা। এ উপকারী গ্রন্থের প্রথম ও দ্বিতীয়

    ৳ 270
    প্রকাশনী:
  • অন্তরের রোগ ১

    যে অন্তর নিফাকে আক্রান্ত, তা কীভাবে ধারণ করবে প্রকৃত ঈমানকে? যে অন্তর মন্দ কামনা-বাসনা বা প্রেমাসক্তির মাঝে বিভোর থাকে, কেবল লালসা পূরণের পথে চলে; তা কি পারে নেক আমলের স্বাদ আস্বাদন করতে? যে অন্তর দুনিয়ার মহব্বতে, সম্মান-মর্যাদা-নেতৃত্বের লোভে কানায় কানায় পূর্ণ থাকে; তা কি আখিরাতের মহাসাফল্য লাভের কথা একটুও ভাবে? একটি অসুস্থ-রোগাক্রান্ত অন্তরের পরিণতি অনেক অনেক ভয়ংকর-ভয়াবহ। এপারেও… ওপারেও…
    প্রিয় পাঠক! অন্তর তো প্রত্যেকের একটাই। একাধিক নয় যে, একটি অসুস্থ কিংবা বিনষ্ট হয়ে পড়লে অপরটি কাজ দেবে। তাই প্রত্যেককে নিজের এই একটি অন্তরকেই এমন সুস্থ, সুন্দর ও রোগমুক্ত রাখতে হবে; যেন তার মাঝে সত্য অনুধাবনের যোগ্যতা থাকে। যেন তা উপলব্ধি করতে পারে সঠিক বিষয়কে; নিরূপণ করতে পারে হক-বাতিলের বিভেদকে…
    তাই আসুন, আমরা বেঁচে থাকি অন্তরের সকল রোগ থেকে। সত্য-সঠিক বিষয়কে উপলব্ধি করি সুস্থ অন্তর দিয়ে। অন্তরকে অসুস্থ-রোগাক্রান্ত করে তোলে এমনই কিছু কঠিন রোগের আলোচনা নিয়ে ‘রুহামা পাবলিকেশন’ শীঘ্রই আপনাদের জন্য নিয়ে আসছে দু’খণ্ডে প্রকাশিতব্য অতি উপকারী গ্রন্থ ‘অন্তরের রোগ’।
    এর প্রথম খণ্ডে থাকছে— ০১. আসক্তি, ০২. প্রবৃত্তির অনুসরণ, ০৩. দুনিয়ার মহব্বত, ০৪. নিফাক
    এবং দ্বিতীয় খণ্ডে থাকছে— ০১. প্রেমাসক্তি, ০২. গাফিলতি, ০৩. ঝগড়া-বিবাদ, ০৪. অহংকার, ০৫. নেতৃত্বের লোভ সম্পর্কিত প্রতিটি রোগে আক্রান্ত হওয়ার কারণ, এর ক্ষতি-অপকারিতা এবং রোগ থেকে বাঁচার চিকিৎসা ও উপায় সম্পর্কে বিশদ আলোচনা। এ উপকারী গ্রন্থের প্রথম ও দ্বিতীয়

    ৳ 240
    প্রকাশনী:
  • আত্নার পরিচর্যা ( আত-তিব্বুর রুহানী এর সরল অনুবাদ)

    সাধারণত সৌন্দর্য বলতে মানুষ বাহ্যিক রূপ-লাবণ্য আর সাজসজ্জাকেই বুঝে থাকে। এ জন্যই দেখা যায়, অনেক মানুষই কেবল নিজের বাহ্যিক অবস্থাকে চাকচিক্য করে তোলতে চেষ্টা-সাধনা করে। অপরকেও তার বাহ্যিক সৌন্দর্য দেখে পরিমাপ করে; তা দেখেই পছন্দ হলে কাছে টানে, না হলে দূরে ঠেলে। আসলে কি বাইরের এ সৌন্দর্যই আসল সৌন্দর্য? শরীরী কাঠামোটাই কি ভালো-মন্দ পরিমাপের মানদণ্ড? না, বরং একজন মানুষের বাহ্যিক অবস্থা যতই আকর্ষণীয় হোক না কেন, তার আত্মা যদি পরিশুদ্ধ না হয়; তার এ বাহ্যিক সৌন্দর্য ও চাকচিক্যতার কোনো মূল্য নেই। প্রকৃত সুন্দর তো সে-ই ব্যক্তি, যার অন্তর-আত্মা পরিশুদ্ধ। তাই আসুন, প্রকৃত সৌন্দর্যে নিজেকে শোভিত করি। আর এর জন্যই প্রয়োজন- আত্মার পরিচর্যা। 

    ৳ 90
    প্রকাশনী:
  • আলোকিত জীবনের প্রত্যাশায়

    ইবনুল কায়্যিম রহ. বলেন, আমি শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ রহ. কে বলতে শুনেছি, ‘যদি আমলের কারণে তুমি হৃদয়ে স্বাদ অনুভব না করো; তাহলে ধরে নাও ঐ আমলে ত্রুটি আছে। কেননা, আল্লাহ তো পরম প্রতিদানদাতা, অর্থাৎ তিনি আমলকারীকে দুনিয়াতেই অন্তরে স্বাদ, শক্তি, প্রশান্তি ও প্রসন্নতা দিয়ে তার প্রতিদান দেন। এখন তুমি যদি তা না পাও; তাহলে মনে করতে হবে, তোমার আমলে ভেজাল আছে।
    আলোকিত জীবনের প্রত্যাশায়
    শাইখ খালিদ আল-হুসাইনান রহঃ

    ৳ 200
    প্রকাশনী:
  • প্রত্যাবর্তন

    কোলবালিশ জড়িয়ে ধরে বেঘোর ঘুমে তখন বেহুশ। মানুষ রাতে ঘুমায়, কিন্তু দিনে ঘুমায় কারা? রাত জাগা নিশাচরের দল। রাতগুলোও জম্পেশ। কারো রাত কাটে ইউটিউবে, কারো রাত কাটে ফেইসবুকে। কারো রাত কাটে আড্ডায়। কারো রাত কাটে ক্লাব কিংবা পার্টিতে। এভাবেই কারো কারো নিশ্চুপ রাতগুলো হয়ে উঠে কোলাহলময়, আর কোলাহলময় দিনগুলো হয়ে উঠে নিথর, নিস্তব্ধ।

    শুক্রবার। সাপ্তাহিক ইবাদাতের জন্য মসজিদে যাওয়া লাগবে। অন্যান্য দিনের পাঁচ ওয়াক্ত সালাতে না গেলেও সমাজ বাঁকা চোখে কখনোই তাকাবে না। কিন্তু, শুক্রবারের দু’রাকাত ফরজ সালাতের জন্য যদি মসজিদ মুখী না হই, তাহলে সমাজ অগ্নিঝরা দৃষ্টিতে তাকিয়ে বলবে,- ‘মুসলমানের ছেলে , অথচ জুমার নামাজটাও পড়ে না…’

    সমাজ ধরেই নিয়েছে, অন্যান্য দিনের পাঁচ ওয়াক্ত সালাত না পড়লেও আমার মুসলমানিত্ব খারিজ হয়ে যায় না। কিন্তু, যখনই আমি জুমা’র নামাজে যেতে গড়িমসি করি, ঠিক তখনই সমাজ প্রতিবাদী হয়ে উঠে।
    সমাজ তখন আমার মুসলমানিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলে। আমার ধার্মিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে। যেন কেবল জু’মার দিনের দু’রাকাত সালাত আর দুই ঈদের সালাতই আমার মুসলমানিত্ব এবং ধার্মিকতার মাপকাঠি। বাদবাকি সবকিছু ছেড়েছুঁড়ে দিলেও আমি বেঁচে যাই। আমাকে নিয়ে সমাজের তখন কোন মাথাব্যথা থাকে না।

     

    ৳ 225৳ 300
    প্রকাশনী:
  • নানান রঙের মানুষ

    নানান রঙের মানুষ’ বইটির ফ্ল্যাপ থেকেঃ

    বিচিত্র মানুষের বসবাস আমাদের চারপাশে। চলার পথে তারা গল্প করে, গল্প বানায়, গল্প গাঁথে। সেসব গল্পে উঠে আসে জনমানুষের কথা, জীবনের কথা। প্রাণ এবং প্রণোদনার কথা। উৎসাহ এবং উদ্দীপনার কথা। কিছু গল্প ভাবায়, অনুপ্রেরণা দেয়, শক্তি যোগায়। আমাদের আহ্বান করে কল্যাণের দিকে ধাবিত হওয়ার। জীবনকে নতুন করে গড়ে তোলার। সেরকম কিছু গল্প দিয়েই সাজানো ‘নানান রঙের মানুষ’।

    শীঘ্রই প্রকাশিত হচ্ছে ইন শা আল্লাহ।

    ৳ 135৳ 185
    প্রকাশনী:
  • তিনিই আমার রব

    বইটির রচয়িতা শায়খ আলী জাবের আল ফিফী (হাফিজাহুল্লাহ)। এই বইটি হচ্ছে মহান আল্লাহ সুবাহান ওয়া’ তা’য়ালার দশটি মহান নামের ব্যাখ্যা। আল্লাহ রাব্বুল আলা’মীনের দশটি নামকে জীবনের প্রতিটা দৃষ্টিকোণ, প্রতিটা ক্ষেত্র থেকে ব্যাখ্যা করতে লেখক পাঠকদের নিয়ে প্রবেশ করেছেন ভিন্ন এক জগতে। সেই জগতে কোন দুঃখ নেই, কোন কষ্ট নেই। সেই জগতে নেই কোন হতাশা, না পাওয়ার যাতনা। সেই জগত কেবল রব আর তাঁর বান্দার। সে জগতে রাজা হলেন আরশের অধিপতি, আর দাস তথা প্রজা হলো বান্দারা। সেখানে পৃথিবীর কোন মন্ত্রী নেই, প্রধানমন্ত্রী নেই। নেই কোন সেলেব্রেটি। সবাই সেখানে কেবলই বান্দা।

    ৳ 175৳ 235
    প্রকাশনী:

Main Menu

×